যারা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছিল তারাই বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙলো

Swami Vivekananda Statue At JNU Vandalised With Derogatory Messages
Swami Vivekananda Statue At JNU Vandalised With Derogatory Messages

ভারতীয় যুবকদের প্রেরণা পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ছেলে বিশ্ব জাকের হিন্দু সন্ন্যাসী( WORLD HINDU MONK) নামে চিনে সেই যুগনায়ক স্বামী বিবেকানন্দের (SWAMI VIVEKANANDA) মূর্তি ভাঙ্গা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। দিল্লির জাহারলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙার খবর পাওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jawaharlal Nehru University (JNU) )  বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙ্গা কে তীব্র বিরোধিতা জানাচ্ছে। (Swami Vivekananda Statue vandalised IN JNU).

আমরা জানি ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর জন্মদিনে 14 ই নভেম্বর দিনটি ভারতবর্ষে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয় তাহারেই জন্মদিনে তাহারেই নামাঙ্কিত জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভারতের ইয়ুথ আইকন স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি কে ভাঙ্গা হয়। স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভেঙে কালো করে পেটস্টলে তথাকথিত প্রগতিশীলরা বাজে মন্তব্য করেছে। ‘ভাগবা জ্বলবে’  ‘FUCK YOU BJP’ ইত্যাদি লাল রং দিয়ে পেইন্ট করে পেট স্টল কে বিকৃত করে দেয়। এখানে উল্লেখিত উক্ত স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি কি এখন পর্যন্ত উদ্বোধন হয়নি। উদ্বোধনের পূর্বেই তথাকথিত জে এন ইউ এর প্রগতিশীল বাম’ বুদ্ধিজীবীরা নিজের অন্ধ শত্রুতার বহিঃপ্রকাশ করে দেখায়। তাছাড়া সেখানে বিভিন্ন নিন্দনীয় স্লোগান দেওয়া হয়।  ঠিক যেমন কিছু বছর পূর্বে ভারতের টুকরে হোঙ্গে নতুন স্লোগান দিয়েছিল। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় ফিস বৃদ্ধি করে এ ধরনের বাজে মন্তব্য এবং বাজে কর্ম করে নিন্দনীয় স্লোগান দেওয়া হয়। যাহা মাওবাদ নকশালবাদ বিভেদকারী  মানসিকতা কে প্রাধান্য দিচ্ছে।

আমরা পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা জানি ১৯৭০ দশকে এইবার মানসিকতা বামপন্থীরা কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছিল। এই বামপন্থীরা রামমোহন প্রফুল্ল রায়ের মূর্তি ভেঙেছিল।
১৯৭০ সালের মতন ঠিক জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃদ্ধির যে আন্দোলন বর্তমান চলছে তদ্রুপ তখনও একই ধাচের আন্দোলন বামপন্থী ছাত্র সংগঠন কলকাতার কলেজস্ট্রিট চত্বরে চালাচ্ছিল। সেই সময় ও বামপন্থী নকশালপন্থীদের স্লোগান ছিল ঠিক যেমন জাওয়াহারলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান স্লোগান হচ্ছে। ১৯৭০ সালের সেই দিন এই বামপন্থীরা যাহারা নিজেদেরকে প্রগতিশীল বলে তারা আমাদের বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখার্জির মূর্তি ভেঙেছিল এবং সঙ্গে সংস্কৃত কলেজে বিদ্যাসাগরের মূর্তি মাথা কেটে নিয়েছিল এবং কলেজ চত্বরে থাকা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছিল। তারপর শহরজুড়ে বাম রাজনৈতিক উস্কানির ফলে এই ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে মূর্তি ভাঙার ক্রিয়া-কলাপ চালিয়েছিল। তথ্যানুসন্ধান

আমরা বাঙালিরা জানিএই বামপন্থী দল যারা বর্তমান বাঙালি বাঙালি বলে চিৎকার চেঁচামেচি করছে তারা একসময় এই বাংলার মাটিতে নেতাজী সহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি ভেঙেছিল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছিলো। আসলে এই বামপন্থী নকশালপন্থী প্রগতিশীলদের জন্য ভারতের মনীষীরা কোনদিনই মহান ছিলেন না তাদের জন্য আদর্শে আদর্শিত ব্যক্তিরা ভারতের বাইরে বহিরাগত ব্যক্তিরা তাদের চোখে অত্যন্ত মহান। তাইতো আজও পর্যন্ত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারল না।

70 দশকে এই বামপন্থীরা বিদ্যাসাগর সকলের নয়নের মনি বিদ্যাসাগরের মূর্তি কে নির্দ্বিধায় ভেঙ্গে ফেলেছিল তারা গরিব দুঃখী দরিদ্র সকলের নয়নের মনি স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভেঙেছে তাইতো বললাম যারা আগে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে তাহারাই আজ স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙলো।

এখন দেখার বিষয় কতজন পথে নামে, এর নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে। আমার বিশ্বাস বাংলার বুদ্ধিজীবীরাও যদি পথে না নামেও ! কিন্তু বিশ্বের বুদ্ধিজীবীরা পথে নামবে, কারণ স্বামী বিবেকানন্দ বাংলার ছেলে হতে পারে, কিন্তু বিশ্বের হৃদয়ে তিনি বিরাজ করছে।  তিনি বিশ্বকে যা দিয়ে গেছেন, তাঁর লেখা আজও মনে হয় বর্তমান কেন্দ্রিক। তাই তাহারে মূর্তি ভাঙ্গা কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন চ্যানেলে সফল হয়েছেন বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

পাঠক কে অনুরোধ কপি করে পেস্ট করতে যাবেন না ভালো লাগলে লিংকটিকে শেয়ার করুন l আমার ইমেইল আইডি – abdutta21@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
error

Enjoy this blog? Please spread the word :)