বাংলাতে ছাত্র আন্দোলনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ইতিহাস !


Didi ke bolo : Role of the ABVP in the Student Movement in West Bengal

বাংলাতে ছাত্র আন্দোলনে বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ভূমিকা 

Table of Contents

দিদি আজ যেই কথা গুলো বলছি এই কথা গুলো অনেক আগের থেকেই বলেছি আপনাকে। কিন্তু আপনি শুনেননি! তাই আপনি বললেন দিদিকে বলো DIDI KE BOLO তাই আজ কথা গুলো মুক্ত মঞ্চে লিখতে বাধ্য হলাম। কথাটা হলো মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী একটি মন্তব্য করেছেন যে বাংলাতে বিদ্যার্থী পরিষদের কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু আপনি ভালো করে এবং ছাত্র সমাজ ভালো করে জানে যে, যিনি মানে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিজেরই ছাত্র সমাজের উন্নতির প্রকল্পে কোনো ভূমিকা পালন করেননি। বাংলার মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে ব্রাত্য বসু ছাত্র সমাজের উন্নতির জন্য যাহা কিছু কাজ করার চেষ্টা করতেছিলেন আপনিই তো তাহাকে সবকিছুর থেকে ব্রাত্য করে দিলেন। মনে কিছু নে প্লিজ। কারণ এত্তো দিন পর দিদিকে বলতে পারছি মনে হয় কিছুটা নির্ভয়ে কারণ আর যাহোক মাওবাদী বা বাম বলে জেলে পুরবেন না। তাহলে মূল বিন্দুতে আসা যাক।
      ৯জুলাই ১৯৪৯ সনে স্থাপিত একমাত্র ছাত্র সংগঠন যার নিজেস্ব রেজিস্ট্রেসন আছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠনজ্ঞান চরিত্র একতার আদর্শ নিয়ে ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি দেশের পুনর্গঠন আদর্শকে সঙ্গে নিয়ে বর্তমান যুব সমাজকে কুসস্কারমুক্ত এবং আদর্শ নাগরিক রূপে গড়ে তুলার সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। যেই সংগঠনের প্রতি বছর মেম্বারশিপ শেষ হয়ে যায় এবং প্রতিবছরই মেম্বারশিপ আবার রিনিউ করতে হয় বলুন তো বাংলাতে এরকম বিকল্প কোন ছাত্র সংগঠন আছে কি। জানি পাবেন না, কারণ পরিষদের কাজ কোন রাজনৈতিক সত্তা বাহুবল আকর্ষণীয় স্লোগান বা মিথ্যা প্রচার এর উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। আমি অরবিন্দ দত্ত (www.aurobindadutta.blogspot.com) যদি খুব ভুল না করি আপনারই দলের মন্ত্রী-আমলারা ( যেমন সৌগত বাবু, সুব্রতবাবু আদি ব্যক্তিত্ব) এক সময় এই বিদ্যার্থী পরিষদ এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিদ্যার্থী পরিষদ এর সুনাম করে বলেছিলেন বাংলার ছাত্র সমাজের উন্নয়নের জন্য একমাত্র দিশারী হতে পারে এই বিদ্যার্থী পরিষদ। কারণ বিদ্যার্থী পরিষদ গঠন মূলক মানসিকতাকে বিশ্বাস করে।  দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণে বিশ্বাস করেপরিষদ মনে করে শিক্ষা ক্ষেত্রে দলীয় রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত এবং কোন ছাত্র সংগঠনের কোনো রাজনৈতিক দলের হিসেবে কাজ করা উচিত নয়। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে কমিউনিস্ট মতাদর্শ অনুযায়ী অন্যান্য সংগঠনের মত ছাত্র সংগঠন ও আসলে মূল রাজনৈতিক দলের একটি শাখা মাত্র, রাজনৈতিক দলের নির্দেশেই ছাত্র সংগঠন পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়

পরিষদের আদর্শ আর বাকি রাজনৈতিক
দলের আদর্শ

আর আজ কংগ্রেস এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল সেইসঙ্গে আপনার দল তৃণমূল কংগ্রেস এর ছাত্রসংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এই পথই অনুসরণ করছে। কিন্তু বিদ্যার্থী পরিষদ এই মতের সমর্থক নয়। সর্বগ্রাসী রাজনীতির কুফল আজ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে তাই আমাদের মধ্যে সংঘটিত জনশক্তিকে হতে হবে রাত শক্তির থেকে অধিকতর শক্তিশালী তাতে ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা হবে প্রবলভাবে। তবে ছাত্রদের জাতীয় রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন হওয়া একান্ত দরকার। কিন্তু বিদ্যার্থী পরিষদ মনে করে যে দেশে সর্বাঙ্গীণ বিকাশ শুধু রাজনৈতিক দলের দ্বারা সম্ভব নয় দেশের অধিকাংশ জাতীয় সমস্যার সমাধান করতে হবে সাংস্কৃতিক আমাদের মাধ্যমে সামাজিক শক্তি জাগরণের মধ্য দিয়ে এবং এ কথা আজও প্রমাণিত। তাই বিদ্যার্থী পরিষদ একটি রাজনীতি সচেতন ছাত্র সংগঠন কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রশাখা ফ্রন্ট নয়। দিদি শুনছেন, পরিষদ মনে করে আজকের ছাত্র আজকের নাগরিক ছাত্রশক্তি রাষ্ট্রশক্তি বিদ্যার্থী পরিষদ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

দিদি বলুন তো বাংলাতে এরকম কোন ছাত্র সংগঠন আছে কি যে সংগঠন বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বিভিন্নভাবে গঠন মূলক পরিকল্পনা দ্বারা তাদের সার্বিক বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের সৃষ্টি করেছে। যেমন:-

আইআইটি আইআইএম প্রভৃতি নেশনাল লেভেল ইনস্টিটিউশন এর জন্য THINK INDIA থ্যাঙ্ক ইন্ডিয়া। প্রযুক্তিবিদ্যা বিদ্যার্থীদের জন্য সৃষ্টি। 
আয়ুর্বেদে ছাত্র-ছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ এর জন্য JIGNASA জিজ্ঞাসা।

আইনের ছাত্রছাত্রীরা যাতে বিকশিত হতে পারে থিঙ্ক ইন্ডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত ইন্সাইট।


শিক্ষা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জন্য বিদ্যাপাঠ ওয়েব পোর্টাল।

কলা বিভাগের নাচ গান লেখা আবৃত্তি ইত্যাদি বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য রাষ্ট্রীয় কলা মঞ্চ।
গ্রামীণ জীবন যাপন সম্বন্ধে শহরের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য স্বদেশ বা সামাজিক অনুভূতি।
উত্তর-পূর্ব ভারতের ছাত্র ছাত্রীদের সার্বিক বিকাশ এবং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এক সূত্রে একটি মালার মাধ্যমে তাদের বৈচিত্রময় ভারত তুলে ধরার জন্য স্টুডেন্ট এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্টারস্টেট লিভিং SEILনামক প্রকল্প। প্রতিভার বিকাশ এর জন্য প্রতিভা সঙ্গম।
ভারতীয় মানবতাবোধ এবং আধ্যাত্মিকতা-মানুষের শুধু ভারতের সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অফ স্টুডেন্ট এন্ড ইউথ World Organization of students and youth।
গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের সেবা বিভাগে কাজ করার ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ফর সেবা SFS প্রকল্প।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ফর ডেভলপমেন্ট’ SFD প্রকল্প।
ডাক্তারি বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য মেডিভিসন MEDEVISION প্রকল্প।
আমার হোমিও পেথি বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য হোমিও ভিসন।
কৃষি বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের বিকাশের জন্য  AGRIVISION।
ফার্মা লজি বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের বিকাশের জন্য ফার্মা ভিসন PHARMAVISION।
ছাত্রীদের আত্নরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা এবং বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য সৃষ্টি হয়েছে মিশন সাহসী প্রকল্প MISSION SAHASI 2019।

এছাড়াও ছোট ছোট অনেক প্রকল্প আছে যা বাংলাতে অত্যন্ত নীরব ভাবে কাজ করে চলেছে।

দিদি আপনাকে বলছি আপনি কি জানেন  1975 এবং 77 সালের জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে গণতন্ত্র রক্ষার ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিদ্যার্থী পরিষদ এর ভূমিকা অগ্রণী ছিল। তাই সেই সময় দেশের সর্বত্র ছাত্র সংসদ নির্বাচন গুলিতে বিদ্যার্থী পরিষদ এর জোয়ার এলো। কিন্তু সেইসঙ্গে যেহেতু বিদ্যার্থী পরিষদ রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের আদর্শে কাজ করে না ক্ষমতার বহির্ভূত হয়ে সামাজিক ভাবে কাজ করে, কিন্তু সেই সময় সংগঠনের মধ্যে  রাজনৈতিক দোষ দেখা দিল। ফলে পরিষদকে এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তা হলো  1978 সালে দেশের অসংখ্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যার্থী পরিষদ তার জেতা সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে এলো এবং চার বছর 1975 থেকে 1981 সাল পর্যন্ত বিদ্যার্থী পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। ক্ষমতা দখলের থেকে বিদ্যার্থী পরিষদ এর কর্মীদেরকে মুখ ফেরানো হলো গঠনমূলক কর্মসূচির দিকে। আবার যখন 1982 সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিদ্যার্থী পরিষদ অংশগ্রহণ করলো তখন পুনরায় শুরু হলো বিজয় যাত্রা।
দিদি আশির দশকে অসমে অনুপ্রবেশ বিরোধী আন্দোলনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সক্রিয়ভাবে গোহাটিতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।
নব্বইয়ের দশকে যখন কাশ্মীর জুড়ে ভয়াবহ আতঙ্ক পরিস্থিতি দেশবিরোধী কার্যকলাপ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তখন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে বিদ্যার্থী পরিষদের বিশাল আন্দোলনে পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনেক ছাত্র-ছাত্রী সে আন্দোলনে যোগদান করেছিল।

দিদি তিন বিঘা হস্তান্তর বিরোধী আন্দোলন  1992 সালের 26 শে জুন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার তিন বিঘা নামক ভুখন্ডটিকে ভারত সরকার যখন বাংলাদেশের হাতে তুলে দিল। সেইদিন বিদ্যার্থী পরিষদ এর নেতৃত্বে প্রায় 1400 ছাত্র-ছাত্রী হস্তান্তরে বাধা দিতে গিয়ে, তিন বিঘার নিকট ময়নাগুড়িতে গ্রেফতার বরণ করেন। আপনি কি জানেন ? 

দিদি চিকেন নেক চলো আন্দোলন মনে আছে 2008 সালে হয়েছিল বিদ্যার্থী পরিষদ এর নেতৃত্বে প্রায় 50 হাজার ছাত্র-ছাত্রী এই পশ্চিমবঙ্গের এই বাংলার বুকে বাংলাদেশী করালগ্রাস থেকে ভারত মাতা কে রক্ষা করতে  এই কিশান্গঞ্জ এসে আন্দোলন করেছিল।
দিদি মনে পড়ে 2008 সালে বাংলাদেশ দূতাবাস চলো 10 সেপ্টম্বর প্রায় 5000 বাংলার বিভিন্ন কলেজ ছাত্র ছাত্রী এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।
দিদি আবার বলছি মনে পড়ছে বাংলা ভাষা বিকৃতির বিরুদ্ধে বিদ্যার্থী পরিষদ এর 2004 সালের বামপন্থীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন।  বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে পাঠ্যসূচির থেকে বাদ দিয়ে, প্রথিতযশা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্রের মত লেখকদের রচনাকে বিকৃত করতে চেষ্টা করেছিল এই বামপন্থী। 
দিদি মনে পরে 2005 সালে এক বিশাল জনসভা। বন্দে মাতারাম এর বিশাল শোভাযাত্রা, বন্দেমাতরম’র শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে হাজার হাজার বাংলার ছাত্র-ছাত্রী বিদ্যার্থী পরিষদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বন্দেমাতারাম ধ্বনিতে মুখরিত করে চলেছিল কলকাতার রাজপথ।
দিদি রাইটার্স চলো অভিজান মনে আছে যেখানে শিক্ষা বাঁচানোর জন্য 66 পরিষদ এর কার্যকর্তারা গ্রেফতার বরণ করেছিল।
দিদি এবার নিশ্চয়ই আপনার মনে পড়বে কারণ 2010 সালে রাজনৈতিক ক্ষমতার পতন হলেও পরিবর্তন হলো না বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে শাসক দলের গুন্ডামি রাজনীতিকরণ তোলাবাজি দেখে ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতা হয়ে পড়েছে ছাত্র-ছাত্রী সমাজ। তাই বিদ্যার্থী পরিষদ সেভ  ক্যাম্পাস সেভ এডুকেশন আন্দোলনের ডাক দিয়ে সারা বাংলা জুড়ে শুরু করল এক ছাত্র আন্দোলন। পরিষদ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে ব্লেক পেপার তৈরি করা হয় । আপনাকেও দেওয়া হয়েছিল।
দিদি 2015 সালে শিক্ষা ক্ষেত্রে নবীকরণ নতুন শিক্ষানীতি সর্বভারতীয় আলোচনাতে বাংলা থেকে প্রায় 400 শিক্ষক এবং উপায়ুক্ত অধ্যক্ষবিদ্যার্থী পরিষদ এর এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে আগামী শিক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে নিজের মতামত দান করেছিলেন।
দিদি স্বাধীনতার পর বহু ছাত্র সংগঠন এসেছে  যদিও দিশাহীন অবস্থায় তাদের বিলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বিদ্যার্থী পরিষদ বিগত বহু বছর ধরে নিজেদের সংকল্পের গতি আরো নিষ্ঠাবান হয়ে উঠেছে। বর্তমান এ সংগঠনের পা প্রাক্তন কার্যকর্তা পরিষদের জন্য গর্ববোধ করে।( যেমন ভারতবর্ষের উপরাষ্ট্রপতি ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী তাছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উচ্চ নেতৃত্ব বর্গ) পরিষদ তাদের সকলের কাছে প্রেরণার উৎস। তাই দিদি আমাড় মনে হয় শিক্ষামন্ত্রী পরিষদকে ডাকুক কিনা ডাকুক তাতে ছাত্র সমাজে কিছু আসে যায় না, পরিষদ প্রত্যেকটি ছাত্র সমাজের মনের মধ্যে আছে, এবং আগামী বছর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে পরিষদ একাই তার অস্তিত্ব এবং নিজের শক্তি প্রমাণিত করে দেবে। শুধু আপনার কাছে অনুরোধ ছাত্ররাজনীতিকে মূল রাজনীতি থেকে দূরে রাখুন। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে  লিংডো কমিশনের সুপারিশ মেনে নির্বাচন করা তাতে ছাত্র সমাজ এবং বাংলার পক্ষে মঙ্গল। জয় ভবানী

ভালো লাগলে সকলের সাথে শেয়ার করে সকলকে জানার সুযোগ করে দিন। এই ব্লগ সাইট টিতে আরো অনেক কিছু তথ্য এবং লেখা আছে পড়তে পারেন এবং ইমেইল সাবস্ক্রিপশন অপশন আছে যা একেবারে বিনামূল্যে আপনার ইমেইল এড্রেস দিয়ে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন এবং আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে ইমেল করুন-  abdutta21@gmail.com
পড়ুন আরো অনেক ( নিচে ক্লিক করুন)

Leave a Comment