বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আস্থা ABVP আবার প্রমাণিত !

Narendra Modi trust ABVP MEMBER

ABVP BJP  leader in west bengal

কেন বিশ্বাস এবং আস্থা রাখলেন?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন ABVP উপর আস্থা রাখছেন কিসের জন্যই বা এই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের উপর তাহার অগাধ আস্থা সে বিষয়ে বলার আগে এবং  কি এই সংগঠন কি কাজ করে সেটা জেনে নেওয়া আমাদের প্রয়োজন। ১৯৪৯ সালে স্থাপিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ RSS ( Rashtriya Swaymsevak Sangh ) রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ আজ প্রায় ৪ মিলিয়ন সদস্য নিয়ে স্বমহিমায় ছাত্রদের সঙ্গে হাতে হাত রেখে ছাত্রদের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে, রাষ্ট্র পুনর্নির্মাণের স্বার্থে, কাজ করে চলেছে। জ্ঞান চরিত্র একতার মন্ত্র নিয়ে দেশের ছাত্র সমাজের মধ্যে অনুশাসন দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে যোগ্য ব্যক্তি তৈরির মাধ্যমে ছাত্রশক্তিকে রাষ্ট্রশক্তিতে পরিণত করাই এই ছাত্র সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য । অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ শুধুমাত্র আন্দোলন কার্যপদ্ধতির মাধ্যমে কলেজ ক্যাম্পাস স্কুল ক্যাম্পাস বা সমাজে কাজ করে না। বিদ্যার্থী পরিষদ বিশ্বাস করে এবং সে সঙ্গে কাজও করে গঠনমূলক পদ্ধতি দ্বারা ছাত্রসমাজকে ভবিষ্যতের না বর্তমানের নাগরিক হিসেবে তৈরি করে তোলা। পরিষদ বিশ্বাস করে শিক্ষাঙ্গন দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হোক।  ছাত্রছাত্রীরা কোন দলের তাবেদারী না করে নিজেদের ক্যাম্পাসের কথা নিজেরাই উচ্চস্বরে বলুক। পরিষদ বলে কোন দাদা দিদির কৃপা না নিজেদের যোগ্যতা প্রতিভার দাঁড়াই নিজেদেরকে দাঁড়িয়ে উঠতে হবে।  তাই বুঝি পরিষদ ছাত্র দের সুবিধার্তে বিভিন্ন সেক্টরের ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের গঠন মূলক সংস্থার বা আয়ামের সৃষ্টি করেছে।  যেমন ডাক্তারদের জন্য “MEDIVISION

“, কলা বা সাংস্কৃতিক জগতের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য “রাষ্ট্রীয় কলা মঞ্চ“, প্রাকৃতিক পরিবেশকে নিয়ে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীদের জন্য “স্টুডেন্ট ফর ডেভেলপমেন্ট” বা “বিকাশ অর্থ বিদ্যার্থী” , বিভিন্ন নেশনাল ইনস্টিটিউশন বা আইনের ছাত্র ইঞ্জিনিয়ার ছাত্র তাদের জন্য “থ্যাঙ্ক ইন্ডিয়া এবং “আরোহন“, উত্তর পূর্বাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীরা ভারতেরই অঙ্গ সেই ভাবধারা সকল ভারতীয়দের মধ্যে সৃষ্টি করার জন্য পরিষদ শীল বা “অন্ত রাজ্য ছাত্র জীবন দর্শন” নামে একটি প্রকল্প, শহরের ছাত্র-ছাত্রীদের কে গ্রামবাংলায় ছাত্রছাত্রীরা বা গ্রাম বাংলার সমাজের সামাজিক পরিস্থিতিতে বুঝাবার জন্য পরিষদের সৃষ্টি করেছে “সামাজিক অনুভূতি” ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন সেক্টরের ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ এবিভিপি বা পরিষদ চালিয়ে যাচ্ছে।

তাই কিভাবে সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ব্যক্তি নির্মাণকে প্রধানতা দেওয়ার জন্য আরএসএস এর ছাত্রসংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের প্রাক্তন সদস্যদের উপরেই ভরসা রাখছে নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং তার টিম।

এবার নরেন্দ্র মোদি সরকার তাহার কেবিনেট মিনিস্টার হিসাবে নিযুক্ত করেছেন এবিভিপি ব্যাকগ্রাউন্ড আছে এমন নেতাদেরকে । তাছাড়া বিজেপি সাংগঠনিকভাবেও বিভিন্ন ABVP সদস্যদের নিযুক্ত করেছেন। এর মানে এটানা যে ABVP সদস্যরা বিজেপি পার্টিতে যায়। ABVP সদস্য এরকম এরকম অনেক উদাহরণ আছে যে তাহারা বিজেপি বাদে অন্যান্য রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে। যেমন দক্ষিণ ভারতে বিশেষ ভাবে দেখা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রমুখ ব্যক্তিরা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এর সদস্য হিসাবে নিজেকে গর্ববোধ করে।
আসুন দেখি নি এবারের মন্ত্রিসভায় নরেন্দ্র মোদি সরকার কোন কোন এবিভিপি প্রাক্তন সদস্যদের ভরসা করেছেন।
ভেঙ্কাইয়া নাইডু 
কলেজ জীবন থেকেই বিদ্যার্থী পরিষদ এর সাথে যুক্ত ছিলেন তারপর বিজেপিতে তারপর বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে ছিলেন বর্তমানে তিনি ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে আছেন।
অমিত শাহ 
১৯৮৩ সনে ABVP র সাথে যুক্ত হয়ে সদস্য থাকা কালিন পশ্চিমবঙ্গেও তিনি বিদ্যার্থী কার্যকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমান তিনি ভারত সরকারের গৃহ মন্ত্রী।
রাজনাথ সিং
বিদ্যার্থী পরিষদ এর শুধু কার্যকর্তা শুধু ছিলেন না তিনি ১৯৭০ দশকে বিদ্যার্থী পরিষদের সংগঠন সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছিলেন। বর্তমান তিনি ডিফেন্স মিনিস্টার।
নীতিন গতকারি
বিদ্যার্থী পরিষদ এর মুম্বাই প্রান্তের কার্যকর্তা ছিলেন খুব বেশি সময় না করলেও কম সময়ে তার কাজে অত্যন্ত সুনাম কুড়িয়েছিলেন। বর্তমান তিনি ভারত সরকারের পরিবহন যোজনা মন্ত্রী।
Amitava Chakravorty BJP west Bengal
অমিতাভ চক্রবর্তী
মূলত তিনি বাংলার ছেলে। বাংলার ছাত্র হৃদয়ের সম্রাট হিসাবে বলা হয়। বামপন্থীদের জামানায় চোখে চোখ রেখে লড়াই করে পরিষদ কে প্রতিষ্ঠা করে পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন সম্পাদক, ক্ষেত্রীয় সংগঠন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।  তিনি উড়িষ্যা প্রান্তের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এখন তিনি বিজেপি রাজ্য সংগঠন সম্পাদক দায়িত্ব পালন শুরু করলেন|

অমিতাভ চক্রবর্তী কে? কোথার থেকে উঠে এসেছেন?  বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

কিশোর বর্মন
কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত কে তুচ্ছ করে এগিয়ে গিয়ে সংগঠনের  উপর নজর দিয়ে বিদ্যার্থী পরিষদ এর বহুদিন ধরে কাজ করে গেছেন। তিনি ABVP র বঙ্গ প্রান্তের পশ্চিমবঙ্গ প্রান্তে সংগঠন সম্পাদক এবং সর্ব ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সম্পাদক দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পালন করছেন।
জেপি নাদ্দা
বিদ্যার্থী পরিষদ এর একনিষ্ঠ কার্যকর্তা এবং পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংঘের সম্পাদক হিসেবে ছিলেন। এখন তিনি বিজেপির রাষ্ট্রীয় সভাপতি
রবিশঙ্কর প্রসাদ
নব্বইয়ের দশকে তিনি পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন একনিষ্ঠ কার্যকর্তা ছিলেন পরিষদের বিভিন্ন কার্যপ্রণালীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি ভারত সরকারের সূচনা এবং প্রদ্যগিকি বিভাগের মন্ত্রী।
প্রকাশ জাভেকর
বিদ্যার্থী পরিষদ এর কলেজ থেকে শুরু করে নগর দায়িত্বে ছিলেন বর্তমানের এই ভারত সরকারের পরিবেশ মন্ত্রী।
ধর্মেন্দ্র প্রধান
বিদ্যার্থী পরিষদ এর একনিষ্ঠ কার্যকর্তা এবং সব থেকে কাছের কার্যকর্তা যদি বলা হয় এই ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বলা যেতে পারে।
দেবশ্রী চৌধুরী
বিদ্যার্থী পরিষদের কলকাতার দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সঙ্গে পরিষদের সঙ্গে জড়িত থেকে কাজ করে যাওয়া এই নেত্রী বর্তমান ভারত সরকারের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন।
দিলীপ শইকীয়া
তিনি আসামের সাংসদ, বিদ্যার্থী পরিষদ এর সঙ্গে বহুদিন ধরে যুক্ত, বলা হয় ভারত সরকারের খুবই কাছের লোক, বা নরেন্দ্র মোদির কাছের লোক হিসেবে বিদ্যার্থী পরিষদ এর এই প্রাক্তন সদস্য কে ধরা হয়।
এছাড়াও ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু সদস্য যাহারা যাহারা বিগত লোকসভা নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
ধরমপাল সিং
এবিভিপি কলেজ শাখা থেকে শুরু করে নগর শাখা জেলা ভাগ বিভাগ প্রান্ত সংগঠন সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন বর্তমানে তিনি ঝারখান্ড প্রান্তের বিজেপি সংগঠন সম্পাদক হিসেবে আছেন।
অমিতাভ চক্রবর্তী
মূলত তিনি বাংলার ছেলে। বাংলার ছাত্র হৃদয়ের সম্রাট হিসাবে বলা হয়। বামপন্থীদের জামানায় চোখে চোখ রেখে লড়াই করে পরিষদ কে প্রতিষ্ঠা করে পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন সম্পাদক, ক্ষেত্রীয় সংগঠন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে তিনি উড়িষ্যা প্রান্তের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কিশোর বর্মন
কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত কে তুচ্ছ করে এগিয়ে গিয়ে সংগঠনের  উপর নজর দিয়ে বিদ্যার্থী পরিষদ এর বহুদিন ধরে কাজ করে গেছেন। তিনি ABVP র বঙ্গ প্রান্তের পশ্চিমবঙ্গ প্রান্তে সংগঠন সম্পাদক এবং সর্ব ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সম্পাদক দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পালন করছেন
দেবজিৎ সরকার
ভারতের জনতা পার্টির যুবক সমাজের নেতা এই ব্যক্তিটি। বিদ্যার্থী পরিষদ এর একনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন এবং বলা হয় বিদ্যার্থী পরিষদ তার দুর্বলতা।  তিনি বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার যুব মোর্চার সভাপতি ছিলেন।
আমার সাথে যোগাযোগ বা আরও কিছু তথ্য থাকলে নিচের মেইল এড্রেসে মেইল করতে পারেন।
abdutta21 @ gmail. com

3 thoughts on “বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আস্থা ABVP আবার প্রমাণিত !”

  1. Undeniably imagine that ᴡhich yoս sɑid. Your favoriye justificatіon seemed
    too be on the internet the easiest fɑctor to keep in mind
    of. I ѕay to you, I definitеly get irked whilst
    folks think about issues that they just don't understand about.
    You controlled to hit tһе nail upon the highest aand defined outt the entire thing without having
    side effeϲt , folks couod take a signal. Wilⅼ probably be again to get more.
    Thanks

    Reply

Leave a Comment