অসহিষ্ণু বামপন্থার ভুলে ভরা মাফ চাওয়ার রাজনীতি !

বামপন্থীর অসহিষ্ণুতাঃ- 

জন্ম লগ্ন থেকে বামপন্থী মতাদর্শ নিজেদেরকে সহিষ্ণুতা প্রমাণ করিবার জন্য নিত্য গায়ের জোরে কিছু না কিছু ঘটনা ঘটিয়ে এসেছে। বামপন্থীর অসহিষ্ণুতার ইতিহাস লিখতে বসেছি ছোট্ট করে লিখব কিন্তু যতই লিখব শেষ করা যাবে না।  বর্তমান ঘটনা গুলির পরিপ্রেক্ষিতেই লেখার উদ্দেশ্য। বামপন্থী বন্ধুরা একটু চিন্তা করে দেখবেন।

ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির মতই বামপন্থী দলগুলো একটি। কিন্তু বামপন্থী দল সম্পর্কে আলোচনা করতেই প্রথম নাম মনে আসে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি যাহা আজও পর্যন্ত ভারতীয় হতে পারল না। মানে আমি বুঝাতে চাইছিলাম দেশের যেখানে সবকটি রাজনৈতিক দল এই নিজেদেরকে ভারতীয় বলে রাজনীতি করে চলেছে কিন্তু ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি নিজেকে নিজেই বলে দিচ্ছেন যে তাহারা ভারতের বহিরাগত। এত বছর ধরে ভারতে রাজনীতি করছেন কিন্তু আজও পর্যন্ত দলটা ভারতীয় হতে পারল না।

বামপন্থীর বিপ্লবঃ-  

Table of Contents

বামপন্থা সম্পর্কে আলোচনা করব সেখানে আবার বিপ্লব সম্পর্কে আলোচনা হবে না তা কি হতে পারে ? বামপন্থী মানি মানেই বিপ্লব, বামপন্থী মানেই সর্বহারার দল, বামপন্থা মানি পুঁজিপতিদের বিরুদ্ধে

 বেরিগেট গড়ে তোলা । কিন্তু এই বিপ্লব এই যখন সন্ত্রাসে পরিণত হয়ে সর্বহারা কে শোষণ করে পুঁজিপতি শেষ করে ব্যারিকেড গড়ে তুলে তখন তাহাদের অবস্থা পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরার মতনই হয়। বামপন্থা চিরকালই যখন বিপ্লবের উদাহরণ দেয় তখন তাহারা ভারতের বাহিরে গঠিত সকল বিপ্লবের কথা বলে।  তারা ভারতের বাইরে বিপ্লবের ফলে যা যা হয়েছিল তাহার কথা জনগণের সম্মুখে তুলে ধরে। কিন্তু ভারতে যখনই বিপ্লব করে তখন তাহাদের বিপ্লবের পরিভাষা সন্ত্রাসের পরিণত হয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনহানি ঘটিয়ে উন্নয়ন বিকাশ এবং শিক্ষাকে বেরিগেট গড়ে তুলে। বিপ্লবে বামপন্থীরা চিরকালই নিজেকে সহিষ্ণু বলে প্রচার করেছে তাই সহিষ্ণুতা করতে গিয়ে কখন যে তারা অসহিষ্ণু প্রতীক হয়ে পড়ছে বুঝতেই পারছেন না। বিগত 34 বছরে বাংলার বুকে আমরা জানি বামপন্থী দলগুলি কিভাবে সাংবাদিক থেকে শুরু করে মানবাধিকার সংগঠন গুলির বাকরুদ্ধ করেছিল। দীর্ঘ 34 বছরের সরকারে শাসন করেছে নাগরিকের অধিকার লংঘন করা হয়েছিল দলতন্ত্রের দাপট দেখিয়ে। কিন্তু দীর্ঘ 34 বছরের গণতন্ত্রের এই দাপট এর জন্য তারা আবার জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

বামপন্থীর বুর্জোয়া নীতি নির্ধারণঃ-  

বামপন্থী চিরকালই বিশ্বাস করে ক্যাপিটালিজম সব সমস্যার দায়ী কিন্তু তারা এটা বিশ্বাস করেনা স্থানবিশেষে ভৌগলিক পরিসীমা বিশেষে বিভিন্ন সমস্যার পরিবর্তন হয়। কিন্তু চিরকালই তাহারা আরএসএস বিজেপিকে বর্বর বুর্জোয়া দায়ী করে এসেছে। কিন্তু এখানে বিশেষভাবে লক্ষণীয় এত বছরে বামপন্থা সময় স্থান ভৌগলিক পরিসীমা দেখে নিজেদের নীতি নির্ধারণ পদ্ধতি কোন পরিবর্তন করেনি, কিন্তু আরএসএস বা বিজেপি ( RSS and BJP)  স্থান ভৌগলিক পরিসীমা সময় সাপেক্ষে নিজেদের নীতি নির্ধারণ পদ্ধতি ক্রমে পরিবর্তন করে এসেছে। ভালো করে লক্ষ্য করে দেখলে আপনারা ডান এবং বাম এই দুই দলের মধ্যেই দেখতে পারবেন যে কে ভারতবর্ষে নিজের জন্মলগ্ন নিয়ম কানুন থেকে সৃষ্টি হয়ে নিজেদের স্থান ভৌগোলিক পরিসীমা সময় হিসেবে নিজেদের নিয়ম কানুন পরিবর্তন করে এসেছে। লক্ষনীয় এত বছর পরেও আজ বামপন্থার স্থান ভারতবর্ষে কোথায় ? এবং ডানপন্থী আরএসএস বিজেপি স্থান ভারতবর্ষে কোথায় পৌঁছে গেছে। যুগের সাথে পরিবর্তন হয়ে চলতে যেই দলই পারবে তাকেই জনগণ নিজের করে আপন করে নেবে। যুব নীতি নিয়ে সমাজ চলে বৃদ্ধ নীতি দিয়ে না।  এই স্থানে বামপন্থা নিজেদেরকে ক্ষমা চেয়েছেন জনগণের কাছ থেকে।

বামপন্থীর সর্বহারা রাজনীতিঃ-  

বামপন্থী দলগুলি চিরকালই বিশ্বাস করে সর্বহারা রাজনীতিকে নিয়ে। তাহারা শ্রমিকের অধিকার শ্রমিকের ন্যায্য দাবিকে সমর্থন করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আন্দোলন করে এসেছে। কিন্তু এই শ্রমিকের আন্দোলন করতে গিয়ে কখন যে এই ট্রেড ইউনিয়ন গুলি মালিকপক্ষের দম বন্ধ করে দিচ্ছিল সেটা বামপন্থী দলগুলি নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বুঝতে দেয়নি। তাদের এই দলীয় নীতি স্বার্থসিদ্ধির নীতি ফলস্বরূপ মালিকপক্ষ ফ্যাক্টরি মিল উদ্যোগ বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে হাজার হাজার শ্রমিকের ভবিষ্যত অন্ধকার করে এই বাংলার মাটি ছেড়ে চলে গেছেন। এই পরিস্থিতিতেও বামপন্থী দল নিজেদেরকে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

বামপন্থীর বর্বরতাঃ- 

আমরা জানি বামফ্রন্ট সরকার হাজার ১৮৯৪ সালের পশ্চিমবঙ্গ জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুর জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা করে যা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ছিল। সেখানে উপস্থিত কৃষিজীবীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তাদের সম্মতি নিয়ে জমি হারাদের ন্যায় সম্মত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা উচিত ছিল। কিন্তু বামফ্রন্ট সরকার তা করেনি বরং সিঙ্গুরে পুলিশি অত্যাচার করা হয় এবং নন্দীগ্রামে গুলি চালানোর ফলে 14 জন নিরীহ মানুষের জীবনহানি ঘটে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার এই ঘটনার ফলে তাদের সরকারও পর্যন্ত চলে যায় তা সত্ত্বেও তারা এর জন্য আবার মাফ বা ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু এত ভুলভ্রান্তি করার পরও নির্লজ্জের মতো বলছে মানুষ শিল্পায়নের পক্ষে ছিলেন।

                 এখন আসি তোলাবাজি হিংসাত্মক ঘটনা দিকে। বামফ্রন্ট বলছেন আমাদের 34 বছরের শাসনকালে তৃণমূলের মত আত্তাচার হয়নি আমরা কখনো কোন কিছু ঠিক করে দিইনি করচুপি করিনি। তাহলে কি বামপন্থীরা অস্বীকার করবেন যে আপনাদের সময় যখন শেষ হয়ে আসছিল তখন স্কুল কলেজ থেকে সরকারি দপ্তর পার্টির নেতারা ঠিক করে দিতেন কার চাকরি হবে আর কার হবে না। আর ক্ষমতা দখল করবার জন্য নির্বাচনে কারচুপি রাজনৈতিক হিংসা কে প্রশ্রয় দেওয়া। গায়ের জোরে ভোট করানোর যে তার ফল আর চোখের সামনে আপনাদের পরিষ্কার। আজ আপনারা বলছেন তৃণমূল বিরোধী শূন্য রাজনীতি করছে। আজ তৃণমূল স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চায়েত স্কুল সমিতির বিভিন্ন অঞ্চলের সমিতিকে বামফ্রন্টের প্রার্থীদেরকে দাঁড়াতেই দিচ্ছেন না। তাদেরকে হুমকি দিচ্ছে তাদের উপর মারধর করছে খুন করে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু বামপন্থী বন্ধুরা আপনার কি অস্বীকার করবেন আপনারাও একসময় বিরোধী শূন্য রাজনীতি করেছেন। আপনাদের এই বিরোধী শূন্য রাজনীতি এবং ক্ষমতাকে ধরে রাখার জন্য হত্যা হিংসা স্বৈরাচারীতার জন্য জনগণ বামফ্রন্টের সরকারকে উৎখাত করে মা মাটি সরকার মমতা ব্যানার্জিকে এনেছিল। এত কিছু করার পরেও আপনারা এর ও ক্ষমা চেয়েছেন মাফ চেয়েছেন কিন্তু শিক্ষা হলো না। এখানে বলে রাখি বামফ্রন্ট সরকার পতনের জন্য যেই যেই কারণগুলি দায়ী ছিল। সেই সেই কারণগুলি তৃণমূল আমলে অত্যধিক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই জনগণ বামফ্রন্টের যেমন অবস্থা করেছিল তৃণমূলরো এমনই করবে।

বামপন্থীর সন্ত্রাসঃ- 

                               বামফ্রন্ট দলগুলি ধানতলা, বানতলা বিরাটি বিজন সেতুর গাড়ি দাঁড় করিয়ে সন্ন্যাসীদের পুরিয়ে মারার ঘটনা তাদের সহিষ্ণুতার প্রকাশ। সাঁইবাড়ি হত্যাকাণ্ডে ছোট্ট দুধের কোলের শিশুকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা মৃত ছেলের রক্ত দিয়ে ভাত মেখে তাহারই মা কে খাওয়ানো বামপন্থীদের সহিষ্ণুতার প্রকাশ মাত্র। মরিচঝাঁপি তে বাংলাদেশ থেকে মুসলমানদের অত্যাচারে অত্যাচারিত হয়ে নিজের ধর্ম এবং প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে পশ্চিমবঙ্গে এসে আশ্রয় নিয়েছিল হাজার হাজার হিন্দু নর-নারী কিন্তু এই গরীব দরিদ্র হিন্দুদের মাথা উঁচু করে চলা কারো মাথা নত না করে নিজেই নিজেদের স্কুল রোজগারের ব্যবস্থা করে নেওয়া আপনাদের সহ্য হয়নি। তাই হাজার হাজার নর-নারীকে পুকুরে কুমিরের পেটে ফেলে অনাহারে মেরে গুলি করে  হত্যা করেছিলেন। ইহাও আপনাদের সহিষ্ণুতার প্রকাশ মাত্র। এই সময়ে এসব কিছুর জন্য আপনারা মাফ চেয়েছেন

বামপন্থীর বাক্-স্বাধীনতাঃ- 

ভারতবিরোধী চিন্তা ধারাঃ- 

আপনারা জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাকিস্তান জিন্দাবাদ ভারতের থেকে আজাদি ভারতের টুকরে হোঙ্গে ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে এবং সমর্থন করে ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তখনো বলেছিলেন ভুল হয়ে গেছে ক্ষমা চেয়েছেন। চিনের সমর্থনে আওয়াজ তোলা, রোহিঙ্গাদের জন্য আওয়াজ তোলা, কাশ্মীরে বিভেদকারী শক্তিদের সমর্থনে আওয়াজ তোলা ইত্যাদি কি প্রমান করে ?

আগ্রাসী মনোভাবঃ- 

গত 19 শে সেপ্টেম্বর বাবুল সুপ্রিয় একজন প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী এবং একজন ক্যাবিনেট মিনিস্টার তিনি একটি ছাত্র সংগঠনের (ABVP) এর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন কিন্তু তাহার উপর আপনারা যেভাবে বর্বরভাবে আক্রমণ চালালেন তাহার প্রত্যেক তোর কিন্তু তিনি সঙ্গে সঙ্গে দি

তে পারতেন। কিন্তু তিনি তাহার নিরাপত্তারক্ষীদের বলে দেন তাহারার শুধুমাত্র ছাত্র,  তাদের উপর কোন রকম প্রতুত্তর না দেয়। তিনি আপনাদের চুপচাপ ভাবে অত্যাচার সহ্য করে গেলেন। আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। কিন্তু আপনারা আপনাদের সহিষ্ণুতার ফল তার চুলের মুঠি ধরে থাপ্পর মেরে জামার বোতাম ছিড়ে সহিষ্ণুতার নমুনা দেখিয়েছে। সেই সঙ্গে অগ্নিমিত্রা পাল নামক একজন ফ্যাশন ডিজাইনার সেই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দিতে গিয়েছিলেন আপনারাও তাহাকে শ্লীলতাহানি করেছে। আপনারা তো বলেন বাক স্বাধীনতা সবার অধিকার কিন্তু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বিরোধী ছাত্র সংগঠনের অনুষ্ঠানে এইভাবে অতিথিদের উপর বর্বর আক্রমণ কি বাক স্বাধীনতা এবং সহিষ্ণুতার নমুনা। আমার যতটুকু মনে পড়ে এর আগেও বহুবার আপনারা ঠিক একই ধরনের কাজ করে গেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি মহাশয় কে কিভাবে আপনারা হত্যা করেছিলেন সেই ঘটনার ইতিহাস আজও প্রমাণ দিচ্ছে তাহার স্মৃতিসৌধ। 2016 সালে ঠিক একইভাবে বিদ্যার্থী পরিষদ এর অনুষ্ঠানে আপনারা বিখ্যাত সিনেমা পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী কে একইভাবে অত্যাচার করেছিলেন। বাবুল সুপ্রিয় হোক কি বিবেক অগ্নিহোত্রী আপনারা দু’জনকেই শ্লীলতাহানি করেছিল বলে অভিযোগ দিয়েছেন। আর কত মিথ্যাচারিতা করবেন কমরেড। এখানে বলতে পারেন বাবুল সুপ্রিয় এর মানসিকতা তিনি চুলের মুঠি ধরা ছেলেটিকে মায়ের মুখ দেখে মাফ করে দিয়েছেন। তিনি চাইলে কেস ফাইল করে ছেলেটির জীবন শেষ করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। কিন্তু আপনারা একজন জনপ্রতিনিধির গায়ে হাত দিয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে বাবুল সুপ্রিয় আপনাদের মাফ করে দিলেও জনগণ এবং ছাত্র সমাজ আপনাদেরকে সমুচিত জবাব অবশ্যই দেবে। এখানে ছেলেটি এত মারাত্মক অপরাধ করেও মাফ চেয়েছে। আপানরা পশ্চিমবঙ্গের অর্থ মন্ত্রী অমিত মিত্র বাবুর সাথেও দিল্লীতে একই ধরেনের ঘটনা ঘটিয়ে ছিলেন। ( বিঃ- এখানে দুটি ঘটনাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, মানে একই ঘটনার দুই রকম বিচার )

অসহিষ্ণু বামপন্থার ভুলে ভরা মাফ চাওয়ার রাজনীতি

তাই বামপন্থী মানেই প্রতিবারই সহিষ্ণুতা আড়ালে অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি করে নিজেদের আধিপত্য কায়েম রাখার জন্য মারাত্মক থেকে মারাত্মক অপরাধ করে শেষে জনগণের আস্থাভাজন নাহলে আপনারা জনগণের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেন। তাই আপনাদের ক্ষমা চাওয়ার রাজনীতি আড়ালে লুকিয়ে আছে ভয়ানক অসহিষ্ণুতা বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে মারাত্মক ষড়যন্ত্রকরী মনোভাব।

আরো পড়ুন –

“নিশ্চিত ভারত আবার অখণ্ড হবে”- যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অধ্যক্ষ ঋষি অরবিন্দ ঘোষ

ভালো লাগলে সকলের সাথে শেয়ার করে সকলকে জানার সুযোগ করে দিন। এই ব্লগ সাইট টিতে আরো অনেক কিছু তথ্য এবং লেখা আছে পড়তে পারেন এবং ইমেইল সাবস্ক্রিপশন অপশন আছে যা একেবারে বিনামূল্যে আপনার ইমেইল এড্রেস দিয়ে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন এবং আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে ইমেল করুন-  abdutta21@gmail.com

Leave a Comment