পরিচয়ে সাংবাদিক কিন্তু অন্যদিকে তিনি দরিদ্র ভবঘুরেদের জন্য অন্নদাতা | Bengali inspiration story

Spread the love( Please Share)

প্রিয়, পাঠক অতিথি বন্ধু, নমস্কার, আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি একটি প্রেরণামূলক গল্প কথা। কথা গুলো একজন আমাদের সমাজের মধ্যে থাকা এক সংবাদিকের। তিনি আমার ফেইসবুকে বন্ধু হিসাবে আছেন এবং তিনি এই কোরনা অতিমারিতেও অক্লান্ত ভাবে নিজের সংবাদিক পেশার থেকে ভয়ে দূরে সরে আসেনি। আর অন্যদিকে একেই সঙ্গে নিজের হাতে প্রতিদিন ১৫০ ভবঘুরেদের খাওয়াছেন।

Kolkata Chetana Foundation

                 Kolkata Chetana Foundation

আমার ফেইসবুক বন্ধু ডিডি নিউজের সংবাদিক সুদীপ বেরার কথা আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। সংবাদিক সুদীপ বেরা এই মহামারীতে  সারাদিন অক্লান্ত ভাবে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে দৈনিক খবর সংগ্রহ করে তারপর সন্ধ্যাবেলায় বাড়ি ফিরেন, কখনো কখনো রাতও হচ্ছে। তথাপিও মানুষটির জনসেবা করা এবং দরিদ্র মানুষের প্রতি তাঁহার অপরিমেয় ভালোবাসা দেখে তাঁর সম্পর্কে না লিখে আমি পারলাম না। আমার মনে হল এই সুদীপ বেরার মতো ব্যক্তিরাও আমাদের এই লকডাউনে করোনা মহাযুদ্ধে একজন হিরো। এবং তাঁর এই দরিদ্র মানুষের প্রতি অপরিমেয় ভালোবাসা কারও জীবনে পথ চলার উদাহারণ হতে পারে। তাই তাঁকে নিয়ে লিখছি।

সংবাদিক সুদীপদা একদিন রাস্তায় এক দরিদ্র মানুষের কষ্ট দেখে মন কেঁদে উঠেছিলো এবং অজান্তেই তাঁহার মন থেকে বলে উঠেছিলো “এই মানুষ গুলির জন্য আমি ভগবান হয়ে তাহাদের সব কষ্ট হয়তো দূর করতে পারবো না কিন্তু মানুষ হিসাবে আমি কি পারবোনা এদের সামান্যতম পাশে এসে তাহাদের কষ্ট কিছু হলে কম করতে ?” বাস  যেমন চিন্তা তেমন কাজ,  নিজের বাসস্থানীয় এলাকার কিছু যুবক যুবতীদের সাথে তাঁহার মনের কথা তুলে ধরলেন এবং  নিজের প্রচেষ্টায়   সেই যুক যুবতী যারা কেও কোর্টের উকিল, কেও বা ইঞ্জিনিয়ার- মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টিটিভ এবং পড়ুয়াদের নিয়ে নির্মাণ করলেন- “ কলকাতা চেতনা ফাউন্ডেশন”  Kolkata Chetana Foundation ।

ঐ কোন এক সময় কোন এক মহাপুরুষ বলেছিলেন না, “ যদি তোমার কর্ম এবং লক্ষ্য স্থির থাকে তাহলে তুমি সফল হবেই,” আর সুদীপ বেরাতো ঈশ্বরের কাজ করতে চিন্তা নিয়েছেন তাই এই মহাজাগতিক শক্তি তাহাঁকে তাঁহার লক্ষ্যকে পুর্ন করতে সহযোগিতা করছে।

আজ এই কলকাতা চেতনা ফাউন্ডেশন যার সভাপতি সুদীপ বেরা এবং তার ছোট্ট একটি টিম প্রতিদিন এই অতিমারিতে জাতপাত ধর্মবর্ণ ভুলে প্রায় ১৫০ মানুষের অন্নদাতা  হিসাবে কাজ করে চলেছেন এবং বিভিন্ন বয়স্ক মানুষের প্রতিদিনের বাজার এবং মেডিসিন দিয়ে আসার পরিষেবাও দিচ্ছেন। এই লকডাউনের শুরুর থেকে প্রতিদিন ১৫০ মানুষকে খাওয়ানো কিন্তু সধারন কথা না । যেখানে অনেকই হিমশিম খেয়ে যাছে। সেখানে তিনি এবং তাঁহার টীম নিজের কথার আগে, তাহাদের কথা চিন্তা করে কজা করে চলেছেন।

কলকাতা চেতনা ফাউন্ডেশ sudeep bera dd news, sudip bera DD news ন

এই বিষয়ে আমি সুদীপদাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে দাদা কি ভাবে কর তুমি ? সুদীপ দা ফোনের ওপার থেকে একটা মুচকি হাসি দিয়ে আমাকে বলে, “ভাই আমি কোথায় করছি! সবতো ঐ তুমি যাকে ভগবান বলো সেই অদৃশ্য মহাজাগতিক প্রাকৃতিক শক্তি কাজ করছে, আমি এবং আমার এই ছোট্ট টীম জাস্ট এই দরিদ্র মানুষ গুলির পাশে দাঁড়িয়েছি”।

আমি আবার জিজ্ঞাসু মনে একটা বাজে প্রশ্ন করলাম ( যেই প্রশ্নের জন্য আমার নিজের মনে খারপ লেগেছে) দাদা এতো সাহায্য পাও কোথায় ? সুদীপ দাদা এবার এক অদ্ভুত উত্তর দিয়ে বলল, “ সাহায্যতো তুমিই করো ! তোমার মতন অনেক ব্যক্তি এবং পাড়া প্রতিবেশী করছে সাহায্য আমারা শুধু রান্নার আর পরিবেশনের লোক”।  তারপর আমিও হেসে স্বামী বিবেকান্দের উক্তি দিয়ে বললাম দাদা জীবে প্রেম করে যেজন সেজন সেবিছে ঈশ্বর।

পড়ুন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাছাই করা  বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রেরনাদায়ক বাণী ( প্রেম- বিবাহ-শিক্ষা- প্রকৃতি- উপন্যাসের উক্তি)

এই লেখাটি Bangla Audio Podcast এ শুনুন ( শুধু প্লে বটনে ক্লিক করুন )

প্রিয় পাঠক বন্ধু আমি কোন লেখক না, কিন্তু মনের কথা ব্লগে লিখে প্রকাশ করি অনেক ভুলত্রুটি থাকবে, মাপ করবেন। একটি প্রশ্ন থাকে সবসময় যে,  মানুষ কেন এই সুন্দর মানুষ গুলির কথা শেয়ার করে না ?  আপানদের কাছে অনুরোধ কপি পেস্ট করে শেয়ার করে অনেক কষ্ট করার থেকে ভাল উপরে শেয়ার বোটমে ক্লিক করে শেয়ার করুন। আর নিচে কমেন্ট বক্সে মতামত( ভালো খারাপ) দিতে ভুলেবেন না।


Spread the love( Please Share)

Comments (6)

  1. Sudeep Bera April 27, 2020
  2. Sudeep Bera April 27, 2020
  3. Sudeep Bera April 27, 2020
  4. Sudeep Bera April 27, 2020
  5. Sudeep Bera April 27, 2020
  6. PRATEEP BERA Advocate April 27, 2020

Leave a Reply